তোপের মুখে সুন্দর পিচাই
গুগল সিইও ভারত বংশোদ্ভূত সুন্দর পিচাইয়ের ওপর চটেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। দিনের শুরুতেই গুগল’র নিয়ে সিরিজ টুইট করেছেন তিনি। টুইট বার্তায় পিচাইয়ের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনকে সতর্ক করেছেন এই ‘টুইট ডিপ্লোম্যাট’। আসন্ন ২০২০ সালের নির্বাচনের আগে গুগল-কে কড়া নজরে রেখেছেন ট্রাম্প।
ট্রাম্ট বলেছেন, ওভাল অফিসে পিচাইয়ের সঙ্গে বৈঠকে ২০১৬ সালের নির্বাচনে গুগল’র ভূমিকা নিয়ে তার দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছিলেন তিনি। একইসঙ্গে চীনে তাদের আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স’র কাজ নিয়েও জানতে চেয়েছিলেন। কোনো প্রমাণ ছাড়াই তিনি আগামী নির্বাচনে অবৈধ হস্তক্ষেপ না করারও প্রস্তাব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। বলেছেন, গুগল ‘অবৈধভাবে পরাভূত’ করতে চাইছে।
টুইটে তিনি লেখেন, ‘সবাটিই পুরো পুরি অবৈধ। আমরা গুগল-কে কড়া নজরে রেখেছি।’
এদিকে এক লিখিত চিঠিতে গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুন্দর পিচাইয়ের কাছে হুয়াওয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক বিষয়ে জানতে চেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন সিনেটর।
সম্প্রতি গুগল এবং হুয়াওয়ের মধ্যে স্মার্ট স্পিকার তৈরির যৌথ উদ্যোগের প্রতিবেদন প্রকাশের পরে বুধবার (৭ আগস্ট) সিনেটররা এই চিঠি পাঠান। চিঠির জবাব দেওয়ার জন্য ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন তারা।
চিঠিতে ‘যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের কথোপকথনে আড়ি পাতার জন্য হুয়াওয়ের যন্ত্রাংশ ব্যবহৃত হয়েছে’ অভিযোগ করে বলা হয়েছে-এটি একটি দেশের রাজনৈতিক এবং সামাজিক পরিবেশের জন্য বড় হুমকি। কিন্তু তিন সপ্তাহ আগে চীনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আপনার (সুন্দর পিচাই) নমনীয়তার বিষয়টি লক্ষ্য করা গেছে। পাশাপাশি হুয়াওয়ের সঙ্গে আপনার (পিচাই) নিবিড় সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সেখানে আরো বলা হয়, স্মার্ট স্পিকার তৈরির যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা আরো বড় হুমকিস্বরূপ হবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য। আপনার এ উদ্যোগের পেছনে কি কারণ রয়েছে তা আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। মনে হচ্ছে আপনি দেশের নিরাপত্তা থেকে মুনাফার বিষয়টিকে বড় করে দেখছেন। নাকি আপনি পরিকল্পনা করছেন হুয়াওয়েকে সাহায্য করার জন্য।’